শুক্রবার (১ মে) সকালে বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতা উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ে। তবে চাহিদা তুলনামূলক কম থাকলেও দামে কোনো প্রভাব পড়েনি; বরং অধিকাংশ পণ্যের দাম আগের তুলনায় আরও বেড়েছে।
বাজারে দেখা গেছে, করলা, বরবটি, বেগুন, ঝিঙ্গা, ধুন্দল ও কাকরোলসহ বিভিন্ন সবজি প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েকদিন আগেও এসব পণ্যের দাম ছিল অন্তত ১৫ থেকে ২০ টাকা কম।
বিক্রেতাদের দাবি, টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দাম বেড়েছে। তবে ক্রেতারা এই যুক্তি মানতে নারাজ। তাদের অভিযোগ, বাজার তদারকির দুর্বলতার সুযোগেই ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন।
অন্যদিকে, ডিমের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে প্রায় ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
তবে কিছুটা স্বস্তি এসেছে ভোজ্যতেলের বাজারে। সয়াবিন তেলের সরবরাহ বেড়ে বর্তমানে প্রতি লিটার ১৯৯ টাকা এবং ৫ লিটারের বোতল ৯৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
একজন ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কয়েকদিন আগেও যে ডিম ১২০ টাকায় কিনেছি, এখন সেটাই ১৩০ টাকায় নিতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।”
সব মিলিয়ে নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে বিপাকে পড়েছে নগরবাসী। বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভোক্তারা।
এস