শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর, রামপুরা ও মালিবাগসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফার্মের মুরগির ডিম খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে ডজনে ১৫০ টাকায়। সপ্তাহখানেক আগে এ দাম ছিল ১৪০ টাকা।
অন্যদিকে, মিলমালিকরা লিটারপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম ৬ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিলেও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় বাজারে আগের দামেই তেল বিক্রি হচ্ছে। খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৮৫-১৯০ টাকায় এবং পাম তেল ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল দুই লিটারে ৩৭৫-৩৭৮ টাকা ও পাঁচ লিটারে ৯২০-৯২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সেগুনবাগিচা বাজারের মুদি ব্যবসায়ী মো. সিফাত বলেন, ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে বলে খবর ছিল, কিন্তু এখনো বাড়েনি। সকালে ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এসে বাজার পরিস্থিতি যাচাই করেছেন।
সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে। বিক্রেতারা বলছেন, আগাম শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করায় দাম আরও কমবে। রামপুরা বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২০-২৫ টাকা কেজি, পেঁপে ২০-৩০ টাকায়, বেগুন ৮০-১০০ টাকায় এবং কাঁচা মরিচ ১২০-১৪০ টাকায়। গত সপ্তাহে কাঁচা মরিচের দাম ছিল ১৬০ টাকা পর্যন্ত।
তবে শীতকালীন শিম এখনো দামি— কেজিপ্রতি ২০০-২৬০ টাকা। ঢ্যাঁড়স, ঝিঙে, কইডা ও কাকরোল বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়, আর নতুন বরবটি মিলছে ১০০ টাকা কেজিতে।
সবজি বিক্রেতা জুবায়ের আলী বলেন, “সবজির দাম এখন কমতির দিকে। নতুন কোনো সমস্যা না হলে আরও কমবে।”
এদিকে, ভোজ্যতেল ছাড়াও চিনি, ডাল, আদা ও রসুনের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকা কেজি, ছোট দানার মসুর ডাল ১৫০-১৬০ টাকা, মাঝারি দানার ১৩০-১৪৫ টাকা এবং বড় দানার ডাল ১১৫-১২৫ টাকায়। পেঁয়াজের দামও স্থির আছে ৭০-৮০ টাকায়।
ফার্মের মুরগির মধ্যে সোনালি জাত বিক্রি হচ্ছে ২৯০-৩১০ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩২০ টাকার উপরে। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকা কেজি দরে।
এনএইচ