শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, মানুষের মধ্যে যদি শিক্ষার আলো পৌঁছাতে না পারি তাহলে আলোকিত মানুষ আমরা পাবো না। আলোকিত মানুষ গড়তে হলে শিক্ষার প্রসারের বিকল্প কিছু নেই।
বুধবার দুপুরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে অনলাইনভিত্তিক বই পড়া কর্মসূচি 'আলোর পাঠশালা' উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখনো বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। বই পড়ার দিকে আগ্রহ কম। অন্য দেশের মানুষ বেশি বই পড়তে আগ্রহী। তারা যখনই সময় পান বই পড়েন। তবে তুলনা করলে দেখা যাবে অন্য দেশের চাইতে বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি বই পড়তে ভালবাসেন।
সম্প্রতি আমাদের বই পড়ার আগ্রহী মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সেকায়েপ প্রজেক্ট এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ইতোমধ্যে দেশের ১২৫টি উপজেলার ৭ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই পড়া কর্মসূচি চালু করেছে। আগামী ২০১৫ সালের মধ্যে দেশের বাকি সব উপজেলায় বই পড়া কর্মসূচি চালু করা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের আগেও যাবো না পড়েও যাবো না। তবে আমাদের লক্ষ্য ও নিয়ত হতে হবে শুদ্ধ ও শক্তিশালী। তবে আমরা লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবো।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেন, প্রাচীনকালে যারা পড়তে জানতেন তারা সবাই ছিল উচ্চ বংশীয়। পাথরে খোদাই করা লিপিই ছিল মূলত: বই পুস্তক। যা সহজলভ্য ছিল না। পরবর্তিতে কাগুজে বইয়ের প্রচলন হলো। এখন আরও সহজে মানুষের দ্বার গোড়ায় বই পৌঁছে দিতে অনলাইন সংস্করণ আবিস্কার হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান যুগ ইনফরমেশনের যুগ। আর ইনফরমেশন নির্ভর জ্ঞান অর্জন ডিজিটাল পদ্ধতি ছাড়া আর সম্ভব না। মানুষের দীপ্তি, মেধা, সৃজনশীল কর্মের ব্যাপ্তি যেন সবার মননে গিয়ে পৌঁছে সে কাজটি দায়িত্বশীলতার সাথে করে যাচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব এএস মাহমুদ, তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোস্তফা জব্বার ও গ্রামীনফোনের হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন সৈয়দ তাহমিদ আজিজ হক।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সারাদেশে প্রায় ৮৫০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১০ লক্ষ শিক্ষার্থী এই বই পড়া কর্মসূচির সদস্য। আলোর পাঠশালা নামে এই নতুন অনলাইন ভিত্তিক বই পড়া কর্মসূচির মাধ্যমে সর্বস্তরের মানুষ বই পড়ার সুযোগ পাবেন। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিজস্ব প্রকাশনার ৭২টি বই নিয়ে এই কর্মসূচির যাত্রা শুরু হলো। আলোর পাঠশালা’র ওয়েব ঠিকানা: alorpathshala.org.
[b]ঢাকা, জেইউ, ১৬ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // এআর[/b]
আলোকিত মানুষ গড়তে শিক্ষা প্রসারের বিকল্প নেই: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, মানুষের মধ্যে যদি শিক্ষার আলো পৌঁছাতে না পারি তাহলে আলোকিত মানুষ আমরা পাবো না। আলোকিত মানুষ গড়তে হলে শিক্ষার প্রসারের বিকল্প কিছু নেই
আগামীতে স্কুল-মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
আগামীতে স্কুল ও মাদ্রাসার বোর্ড পরীক্ষা একই প্রশ্নপত্রে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক বেশি জিপিএ-৫ পাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী।
কারিগরি শিক্ষার আধুনিকায়নে বৈশ্বিক সহযোগিতা চান শিক্ষামন্ত্রী
কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ (টিভেট) খাতের আধুনিকায়ন, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ জোরদার এবং শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে বৈশ্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
গবেষণা ও তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী
উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে গবেষণার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের জন্য বাজেট বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
জানুয়ারিতে নতুন বই, প্রাথমিকে দেওয়া হবে ইউনিফর্ম : শিক্ষামন্ত্রী
২০২৭ সালের জানুয়ারিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ইউনিফর্মসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
প্রাথমিকের বাকি প্রার্থীদের নিয়োগপত্র ১ অক্টোবরের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগবঞ্চিত ৮১৭ জনকে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাদের নিয়োগ সম্পন্ন হবে না, তাদের বিষয়েও পরবর্তী সময়ে কাজ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।















