ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক ডায়েরি-২০১৭ থেকে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ এবং প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম বাদ দেওয়ায় ডায়েরি প্রত্যাক্ষাণ করেছে শিক্ষকদের একটি অংশ।
সোমবার (১০ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে নিজ কার্যালয়ে ভিসির সাথে সাক্ষাৎ করে শিক্ষকেরা। এসময় তারা সৌজন্য সংখ্যা ফেরত দেয়। একই সাথে ডায়েরিতে বিসমিল্লাহ ও জিয়াউর রহমানের নাম প্রতিস্থাপন করে পূণরায় ডায়েরি প্রকাশের দাবি জানায়।
জানা যায়, সোমবার ইবি জিয়া পরিষদ এবং গ্রীণ ফোরামের শিক্ষকেরা যৌথ সভাশেষে ভিসি প্রফেসর ড. হারুণ উর রশিদ আসকারীর কাছে এ দাবি জানায়। দ্রুত সময়ের মধ্যে বিসমিল্লাহ এবং জিয়াউর রহমানের নাম প্রতিস্থাপন না করলে উভয় ফোরামের শিক্ষকরা প্রশাসননিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের হুমকি দিয়ে আসে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগ ইতোপূর্বে প্রকাশিত সকল ডায়েরিতে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জিয়াউর রহমানের নাম ছিল। ২০১৭ সালে ডায়েরিতে বিসমিল্লাহ-এর স্থলে ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ লেখা হয়েছে।
এদিকে বিসমিল্লাহ ও জিয়ার নাম পূণস্থাপনের দাবি আদায়ের লক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ শিক্ষক প্রফেসর ড. তাহির আহমদকে আহ্বায়ক করে উভয় ফোরামের সমন্নয়ে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন শিক্ষকরা। কমিটির সদস্যরা হলেন- প্রফেসর ড. তোজাম্মেল হোসেন, প্রফেসর ড. শহীদ মুহাম্মদ রেজওয়ান, প্রফেসর ড. ইকবাল হোসাইন, প্রফেসর মোহাম্মদ সেলিম, প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান, প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন, প্রফেসর ড. আবু সিনা, প্রফেসর ড. এম. এয়াকুব আলী, প্রফেসর ড. নজিবুল হক, প্রফেসর ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, প্রফেসর ড. ইদ্রীস আলী এবং ড. নাজিম উদ্দিন।
সাইফুল্লাহ/এমই
















