শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেছেন তিনি।

ফাতেমা তাসনীম জুমা লিখেছেন, ‘ফয়সাল দেশেই আছে। হয় কারও অনিচ্ছায় তারে ধরা হইতেছে না, অথবা এনকাউন্টার এর পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য অপেক্ষা করতেছে।’ তার দাবি, ‘ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়েছিল এই খুনের জন্যই।’

জুমার প্রশ্ন, ‘সরকারে বসা কে এই জামিনের জন্য তদবির করেছিল? কোন জজ এই রায় দিয়েছিল? সে কার রিক্রুট করা? কোন আইনজীবী জামিন করিয়েছে? কার চ্যানেলে সে ইনকিলাবে এসেছিল?’

ডাকসু নেত্রী লেখেন, ‘কবির নামে যাকে গ্রেফতার করা হলো, সে সেন্টারে যেদিন প্রথম এটাম্প নেয়, সেদিন ফয়সালের সাথে ছিল। ফয়সাল ছাড়া তার কাছেও লিড থাকার হাই চান্স আছে। তবুও কেন মামলার অগ্রগতি নেই? নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলা হচ্ছে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা জাতির সামনে উন্মুক্ত করলে অনেক জট খুলে যায়।’

গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয় নগরে নির্বাচনি প্রচারণার সময় পরিকল্পিতভাবে শরীফ ওসমান হাদির মাথায় খুব কাছ থেকে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়।

কিন্তু অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় গত ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন: হাদি হত্যায় জড়িতদের ভারত থেকে নিয়ে আসাও সম্ভব: নৌপরিবহন উপদেষ্টা

পরে ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির লাশ দেশে আনা হয়। পরদিন (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মিলিয়ন মানুষের উপস্থিতিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

ঘটনার ২২ দিন পার হলেও এখনো হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাকে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে নানা কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চ।

এমএম