অভিযোগ আছে জুলাই বিপ্লবের সময় জুবায়ের আহমেদ প্রকাশ্যে বন্দুক নিয়ে বের হয়। পরবর্তী সময় সে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে। জুলাই হত্যাকান্ডে তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও সে কৌশলে নাম কেটে নেয়।

গত ৫ জুলাই ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর জাহানঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদ রফিক জব্বার হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমেদ দীর্ঘ দিন ছিলেন আত্নগোপনে। এখন সাভারের ইসলামনগর থেকে প্রায়ই হেলমেট পড়ে ক্যাম্পাসে আসেন মাদক ব্রিক্রি, চাঁদাবাজি এবং তথ্য নিতে। শহীদ রফিক জব্বার হলের ক্যান্টিনে এখনও তার ৪ হাজার টাকা বাকি।

জানা গেছে, এর আগেও তার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন মেয়েকে বিরক্ত করা এবং ইয়াবা মাদক সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিলো।

কিছুদিন আগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্রুপে তাকে নিয়ে পোস্ট করা হয় এবং সেখানে অনেকেই অভিযোগ করে তাকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করা হোক।

এ ধরনের শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে পুনর্বাসিত হলে ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল হবে। এইচআর