মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা এবং মাউশির একজন পরিচালক তার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডিজির দপ্তরের দুই কর্মচারীও একই তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে সোমবার (৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাউশির ডিজি পদে নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকে মাউশির ইতিহাসে ‘নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেছেন অধিদপ্তরের এক পরিচালক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, “একজন ডিজি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় তার পদেই নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা অত্যন্ত অপমানজনক। এ কারণেই অধ্যাপক আজাদ খান পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।”

সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (সরকারি কলেজ-১) উপসচিব তানিয়া ফেরদৌসের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে কাজ করতে আগ্রহী বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের ১৬তম ও তদূর্ধ্ব ব্যাচের কর্মকর্তারা আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্তসহ অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রার্থীকে সৎ, দায়িত্বশীল ও প্রশাসনিক কাজে দক্ষ হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে কৃতিত্বের প্রমাণ থাকতে হবে।

দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে থাকা মাউশির অধীনে নয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় এবং বিভিন্ন জেলা শিক্ষা অফিস রয়েছে। সাধারণত শিক্ষা ক্যাডারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মন্ত্রণালয় নিজস্ব বিবেচনায় ডিজি নিয়োগ দিয়ে থাকে। তবে এবার প্রথমবারের মতো বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল মন্ত্রণালয়, যা তখনও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

এনএইচ