অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহমদ কবির চৌধুরী।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম বলেন, আজ থেকে তোমরা শাবিপ্রবি পরিবারের অংশ। তোমাদের একাডেমিক কার্যক্রম যথাসময়ে শেষ করার ব্যাপারে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

র‌্যাগিংয়ের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, সিনিয়র কারও দ্বারা কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে সঙ্গে সঙ্গে প্রক্টরসহ প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের জানাবে। প্রয়োজনে সরাসরি আমাকেও ফোন করতে পারো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সুনামের সঙ্গে কাজ করছেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, শাবিপ্রবি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়। তোমরা যারা এখানে ভর্তির সুযোগ পেয়েছ, তারা অত্যন্ত ভাগ্যবান। এখান থেকেই আগামী দিনের শিক্ষাবিদ, গবেষক এবং জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।

তিনি আরও বলেন, নবীন শিক্ষার্থীদের আবাসন ও খাবারের মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে যত্নবান হতে হবে এবং এ লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো সহযোগিতা আন্তরিকভাবে করা হবে।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ফিজিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. আহমদ কবির চৌধুরী, সোশ্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, লাইফ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক মিয়া, অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মস্তাবুর রহমান, অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড মিনারেল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহিদুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমান, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির এবং ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য দেন ভর্তি কমিটির সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম।

এমএম