কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা যেন শাহবাগে জড়ো হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে কারণে পুলিশ ও ছাত্রলীগ শাহবাগ মোড় দখলে নিয়েছে। আন্দোলনকারীদের কাউকে দেখলেই ধাওয়া করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগদের নেতাকর্মীরা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই তারা মাঠে নেমেছেন বলে দাবি ছাত্রলীগের।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রোববার দুপুরে শাহবাগে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। এ ঘোষণার পরপরই ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।
দুপুরে শাহবাগে গিয়ে দেখা যায়, কোটা সংস্কার আন্দোলকারীদের কাউকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করতে দেয়া হয়নি। তবে পাবলিক লাইব্রেরির সামনে কয়েকজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ছাত্রলীগ ও পুলিশ শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করছে। পাবলিক লাইব্রেরির সামনে একটি এপিসি (সাঁজোয়া) গাড়ি ও একটি জলকামান রাখা হয়েছে। শাহাবাগের চারপাশজুড়ে শতাধিক পুলিশও অবস্থান নিয়েছে।
কথা হয় আন্দোলনকারী কয়েকজনের সঙ্গে। তারা জানান, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া সংগঠনের নেতাকর্মীদের আটকের প্রতিবাদে ও কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে কাল সোমবার সারাদেশে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা সংগঠন থেকে দেয়া হয়েছে।
শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়া প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সৈয়দ মো. আরাফাত বলেন, আমরাও কোটা আন্দোলনের পক্ষেই আছি, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেছি। প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কারে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার ওপর আস্থা রেখে টেবিলে বসে পড়াশোনা করছি। কিন্তু যারা বিশৃঙ্খলা করছে, তাদের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছি। নতুন করে কাউকে আন্দোলন করতে দেয়া হবে না। এ জন্য আমরা শাহাবাগ মোড়ে অবস্থান করছি।
ছাত্রলীগ কর্মী শামীম আরমান বলেন, বর্তমানে কোটা আন্দোলনকারীরা দুই দলে বিভক্ত। তাদের একটি অংশ জামায়াত-শিবিবের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাইছে। তারা ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণযোগাযোগ মাধ্যমে নানা গুজব ছড়িয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষিপ্ত করে তোলার চেষ্টা করছে। আমরা তা হতে দেব না।















