তিনি বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল হতে যাচ্ছে। তবে নতুন বেতন কাঠামোয় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে যথাযথ সমন্বয় হয়নি। বিষয়টি সরকারের আলোচনায় এসেছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রথম স্টিয়ারিং কমিটির সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ১১ বছর পর পে-স্কেল হচ্ছে, কিন্তু এর সঙ্গে মূল্যস্ফীতির যথাযথ সমন্বয় হয়নি। বিষয়টি সরকারের উপলব্ধিতে এসেছে এবং আগামী দিনের জন্য এ বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘যেভাবে বিচার বিভাগে আলাদা পে-স্কেল রয়েছে, তেমনিভাবে আমরাও একটি চিন্তাভাবনা করছি। তবে এত অল্প সময়ে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া রাজনৈতিক সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। ইনশাআল্লাহ, আমরা সেদিকেই এগোব।’
শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির কথা তুলে ধরে ড. মিলন বলেন, শিক্ষকরা দীর্ঘদিন বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে ছিলেন। সেই ভোগান্তি থেকে তাদের উত্তরণের জন্য সরকার কাজ করছে।
শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের বিষয়ে ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট পর্যন্ত ২০২১ সাল থেকে শিক্ষকদের বকেয়া নিজ কন্ট্রিবিউশনের অংশ তুলে দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বাকি অর্থও সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বাজেটগুলো পাওয়ার মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের এসব সমস্যার সমাধান হবে।
এদিকে আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে গুণী শিক্ষকদের সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ড. মিলন বলেন, যোগ্য ও গুণী শিক্ষকদের কাজের স্বীকৃতি দিতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নির্বাচন করা হবে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকে শিক্ষক নির্বাচন করে সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রাথমিকভাবে মোট ১২টি সম্মাননা পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটি প্রয়োজন মনে করলে এ সংখ্যা পরিবর্তন করতে পারবে।
এর পাশাপাশি ১০০ জন শিক্ষককে নির্বাচিত করে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে মোট এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, যারা ভালো কাজ করেছেন, তাদের স্বীকৃতি দেওয়া, পুরস্কৃত করা এবং উৎসাহিত করা সরকারের দায়িত্ব। শিক্ষকদের মর্যাদা ও তাদের কাজের স্বীকৃতি নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।
এস