নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন সাখাওয়াত হোসেন শিমুল, ইমরান খান, শরিফুল ইসলাম ও নাজমা।

নিঝুম রাতে গ্রামের আলপথ ধরে কাঁপা গলায় গান গেয়ে এগিয়ে আসে হাবলা জনার্দন। হঠাৎ বিষাক্ত সাপের ছোবলে তার আর্তচিৎকারে কেঁপে ওঠে বিলের চারধার। সাহায্যের আশায় জনার্দন ছুটে যায় দূর থেকে ভেসে আসা লণ্ঠনের আলোর দিকে। সেখানে মুড়িঝুড়ি দিয়ে বসে থাকা ব্যক্তিটিকে জনার্দন অনুনয় করলেও সে কোনো সাড়া দেয় না, বরং ইশারায় তাকে চলে যেতে বলে। ইশারা না বুঝে জনার্দন ক্ষতের জ্বালায় গ্রামের জোতদার নবকৃষ্ণ বাবুর কুকীর্তির বয়ান পেশ করতে থাকে। এই নবকৃষ্ণের শোষণের জন্যই নিজের তিন বছর ধরে লালন-পালন করা গাই বাছুর কসাইয়ের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছে সে।

বারবার সাহায্য না পেয়ে ক্ষেপে গিয়ে কাঁথা ধরে টান দিলে উন্মোচিত হয় অবগুণ্ঠনে থাকা নবকৃষ্ণ বাবু নিজেই! যে কিনা নিজের জমিতে টহল দিচ্ছিল বর্গাদারকে ফাঁকি দিয়ে রাতের অন্ধকারে ধান লুট করবে বলে। ঘটনাচক্রে উপস্থিত হয় পান্তু দাসের ভাই ডালিম। অনাবাদি জমিতে ফলানো ধান লুট করতে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইকে দাঁড় করিয়ে দেয় নবকৃষ্ণ। কিন্তু অন্ধকার ফুঁড়ে বেরিয়ে আসে দুর্বা, যে কিনা গ্রামে নবকৃষ্ণের রক্ষিতা বলে পরিচিত। তবে আজ রাতে তার মিশন নবকৃষ্ণের বন্দুক লুট করে বর্গাদার পান্তুকে সাহায্য করা। নানা নাটকীয়তায় ঘটনাক্রমে এগিয়ে যায় গল্প এবং শেষ পর্যন্ত শোষক জোতদার নবকৃষ্ণ পরাস্ত হয় হাবলা জনার্দনের কাছে।

এমএম