তিনি বলেন, ‘অনেকেই বলেন, “তুমি মেহজাবীনের মতো, মেহজাবীনের জায়গায় যাচ্ছ।” আসলে কেউ কারও জায়গায় যেতে পারে না। আমি কারও সঙ্গে নিজেকে তুলনা করব না, কারও জায়গায় ভাবাটাও ঠিক না। শিল্প অঙ্গনে এই তুলনা হয় না। মেহজাবীন আপু অনেক বড়, গুণী একজন শিল্পী। তবে তুলনা করলে ভালো লাগে। তাঁর মতো গুণী অভিনেত্রীর সঙ্গে তুলনাও তো বড় পাওয়া।’
তটিনীর কথায়, ‘আমাদের জেনারেশন বা পরের জেনারেশনের জন্য মেহজাবীন আপু একটা উদাহরণ। তাঁর ক্যারিয়ারে এগিয়ে চলা, কাজের প্রতি সততা, তাঁর পরিশ্রম, তাঁর অনেক অভিজ্ঞতা, তাঁর কাছ থেকে আমাদের সবার শেখা উচিত।’
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমি যখন অভিনয়ে আসি, তখনই অনেকে আমাকে একটা কথাই বলেছিলেন, যদি কারও মতো হতে চাও, তাহলে মেহজাবীনকে ফলো করো। আর শুধু ক্যারিয়ার নয়, সে মানুষ হিসেবে কেমন, তাঁর আচার–আচরণ সবই ফলো করার কথা বলতেন। কারণ, সিনিয়রদের কাছ থেকেই আমাদের অনুপ্রেরণা নেওয়া উচিত।’
প্রচারিত হচ্ছে তটিনী অভিনীত ধারাবাহিক ‘ফিরে আসার গল্প’। নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। এতে আরও আছেন খায়রুল বাসার, এজাজুল ইসলাম, ফয়জুল ইয়ামিন, মুকিত জাকারিয়াসহ অনেককে। ধারাবাহিকটির বড় চমক জাহিদ হাসান ও শহিদুজ্জামান সেলিম। জনপ্রিয় দুই অভিনেতাকে এক ফ্রেমে বেঁধেছেন রাজ।
এমএম











