‘সর্বজনশ্রদ্ধেয় শিক্ষাবিদ-সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লূৎফর খান বলেন, ‘এককতায় আমি মুগ্ধ। এই প্রদর্শনী পুরোপুরি সার্থক। একক অভিনয় দুরূহ শিল্প, সেই কাজটি দক্ষতার সঙ্গে করে দেখিয়েছেন অভিনয়শিল্পী জুয়েনা শবনম। শতবর্ষ পূর্বের এক বিশ্ববরেণ্য নারী হেলেন কেলারের উপস্থিতি আমি প্রতিমুহূর্তে অনুভব করছিলাম তাঁর অভিনয়শৈলীর গুণে।’
চলচ্চিত্রনির্মাতা বিশ্বজিৎ মিত্র বলেন, স্বপ্নদলের ‘হেলেন কেলার’ একটি অসামান্য অভিনয় এবং নির্দেশনা।’ ডা. রেশমী শিউলী বলেন, ‘নাট্যকারের রচনায়, নির্দেশক জাহিদ রিপনের নির্দেশনায় জুয়েনা শবনম পুরো একটি ঘণ্টা মঞ্চে অভিনয় করছিলেন, যেটা আমি দেখার আগে সম্ভব মনে করিনি। কী অপূর্ব, অসামান্য অভিনয়!’
মনজুর আহমেদ চৌথুরী বলেন, ‘হেলেন কেলার’ গভীর গবেষণালব্ধ এবং অপূর্ব অভিনয়সমৃদ্ধ।’ ছায়ানট, মেলবোর্নের গীতাঞ্জলি বলেন, ‘শুধু অবাক হয়ে দেখে গেছি, এই অনুভব ব্যক্ত করার আমার ভাষা নেই।’
মেলবোর্নে সেদিন ‘হেলেন কেলার’ প্রদর্শনীর পূর্বে অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে শিল্প-সংস্কৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পদক ‘মেডাল অব দ্য অর্ডার অব অস্ট্রেলিয়া ২০২৬’ (ওএএম) অর্জন করায় রেনেসাঁর নাট্যজন কামরুজ্জমান বালার্ক-কে নাগরিক সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
প্রসঙ্গত, স্বপ্নদলের ‘হেলেন কেলার’ প্রযোজনাটি এর আগে দেশের বাইরে জাপানের টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের আমন্ত্রণে এবং ভারতের চারটি আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসবে প্রদর্শনীর মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সীমা ছাড়িয়ে ইতোমধ্যে ছ’টি আন্তর্জাতিক ভার্চুয়াল থিয়েটার ফেস্টিভ্যালে দর্শকনন্দিত সম্প্রচারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে স্মরণীয় গ্রহণীয়তা পেয়েছে।