ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, হামলাকারীরা প্রথমে ওই বাড়ির আশপাশে থাকা অন্য ঘরগুলো বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেয়, যাতে কেউ এগিয়ে এসে বাধা দিতে না পারে। পরে গ্রাইন্ডার মেশিন দিয়ে দুবাই প্রবাসী রিদুয়ানের ঘরের দরজা ও জানালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় ঘরে থাকা রিদুয়ানের মা রেনু আক্তার ও তাঁর স্ত্রী বাধা দিলে তাঁদের ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়।

একপর্যায়ে দুই নারী পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নিয়ে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। সেখানে থাকা অন্য একটি ফোন দিয়ে কৌশলে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশের সহায়তা চান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে।

রেনু আক্তার বলেন, সন্ত্রাসীরা আমাদের মোবাইল নিয়ে নেয়। আশপাশের সব ঘরে তালা মেরে দেয়। ছুরি নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করতে এলে আমরা পাশের কক্ষে গিয়ে দরজা বন্ধ করি। পরে পুলিশ এসে উদ্ধার করে। তারা আলমারি ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও দামি জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। ঘরের দেয়ালও ভেঙে ফেলেছে। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার জানিয়েছে, তারা এ ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ফটিকছড়ি থানার ওসি রবিউল আলম খান বলেন, ভোরে ৯৯৯ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ দুই নারীকে উদ্ধার করে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমএম