মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো হামবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সর্বশেষ পরিস্থিতির কথা জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ছয় শিশুর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জন রয়েছে।
তবে এ সময়ে গবেষণাগারে নিশ্চিত হওয়া হামে আক্রান্ত কোনো শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি; ৬ জনের প্রাণহানিই ঘটেছে হামের উপসর্গ নিয়ে। অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট ১ হাজার ১৩৪ জন শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ১০২ জন এবং চিকিৎসকদের ভাষায় সন্দেহভাজন বা হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩২ জন শিশুর।
প্রতিবেদন বিশ্লেষণে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন ১ হাজার ৩৯৩ জন রোগীর মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগী পাওয়া গেছে ১০২ জন এবং বাকী ১ হাজার ২৯১ জনের শরীরে হামের উপসর্গ রয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট নিশ্চিত হাম আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১ হাজার ৯১০ জনে। আর সন্দেহজনক বা উপসর্গযুক্ত মোট হাম রোগীর সংখ্যা পৌঁছেছে ১ লাখ ৯৯ হাজার ১৩ জনে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সারাদেশে মোট ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫১৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
চিকিৎসা শেষে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৯০ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের যথাসময়ে হাম-রুবেলার টিকা নিশ্চিত না করা এবং স্বাস্থ্যবিধি পালনে শৈথিল্যের কারণে এই সংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার এবং টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার করার তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এমএম










