ইয়ামেন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি বলেন, এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, গোলাবারুদ, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করে হুথিদের অবস্থান, গতিবিধি, রসদ ও সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দক্ষিণ হারাধ ও উপকূলীয় এলাকা থেকে শুরু করে কিতাফ, আল-জাওফ, মারিব, আল-বাইদা, লাহিজ, সানা ও সাদা পর্যন্ত বিভিন্ন ফ্রন্টে এসব অভিযান চালানো হয়। তবে তাইজে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি বলেন, সেনাবাহিনী যেসব এলাকাকে হুমকির উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেসব স্থান, হুথিদের সমাবেশ, রসদ ও সামরিক সহায়তা, কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র এবং অন্যান্য সামরিক সক্ষমতা অভিযানের লক্ষ্য ছিল।
ইয়ামেন সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের দাবি, অভিযানে ১ হাজার ৫৪০ হুথি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই তাইজের বিভিন্ন ফ্রন্টে। এ ছাড়া ২১৬টি সামরিক যান ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আল-নাজিলি আরও দাবি করেন, এসব অভিযানের ফলে তাইজে হুথিদের অগ্রযাত্রা থামিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং স্থলভাগে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি গোষ্ঠীটি।
ইয়েমেনজুড়ে লড়াই তীব্র হওয়ার মধ্যে এই ঘোষণা এলো। এর আগে শুক্রবার সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তাইজে হুথিদের গতিবিধি ও রসদ সরবরাহের ওপর যুদ্ধবিমান দিয়ে ২০টি হামলা চালানো হয়েছে।
সরকারি বাহিনী আরও জানিয়েছে, সানা ও সাদার ‘গুরুত্বপূর্ণ’ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
বুধবার ইয়েমেনি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তিনটি ফ্রন্টে হুথি যোদ্ধা ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে ৪৬৮টি অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে শত শত হুথি হতাহত হয়েছে বলেও দাবি করেছিল তারা।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা ও বেশ কয়েকটি প্রদেশ দখল করার পর থেকেই ইয়েমেনে সংঘাত চলছে। এর প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে সামরিক হস্তক্ষেপ করে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
এনএইচ











