বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ওয়াশিংটন ডিসি থেকে টেক্সাস ও ওকলাহোমায় পরপর কয়েকটি জনসভায় যোগ দেন ট্রাম্প।

টেক্সাসের ডেন্টনে আয়োজিত প্রথম জনসভায় ট্রাম্প তার জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রচলিত ধারণাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন এবং নিজের প্রশাসনের কাজের প্রশংসা করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার ক্রমবর্ধমান অজনপ্রিয়তার জন্য গণমাধ্যমের ‘অন্যায্য’ প্রচারণাকে দায়ী করেন। তিনি যুক্তি দেন যে, সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্যই নির্বাচনের আগে এই ব্যাপক প্রচার অভিযান চালানো জরুরি ছিল।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা দেশ পরিচালনায় অত্যন্ত ভালো কাজ করছি, কিন্তু নিজেদের প্রচারণার ক্ষেত্রে আমরা খুবই খারাপ করছি।’

তবে জনমত জরিপে তার অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, যা ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জয়ের সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

নির্বাচনে ট্রাম্প নিজে সরাসরি কোনো পদের জন্য লড়ছেন না। তবে সারা দেশজুড়ে রিপাবলিকান প্রার্থীরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের পদগুলো নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করছেন।

নির্বাচনের ফলাফলের ওপর অর্থনীতি এবং ইরান-সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাম্পের পদক্ষেপের বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ও এনওআরসি সেন্টার ফর পাবলিক অ্যাফেয়ার্স রিসার্চের প্রকাশিত নতুন জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৭১ শতাংশ আমেরিকান ইরান-সংক্রান্ত যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন- যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।

জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় অর্ধেকই জানিয়েছেন যে, খাদ্য ও জ্বালানি কেনার সামর্থ্য না থাকার বিষয়ে তারা উদ্বিগ্ন। মাত্র ২৬ শতাংশ মানুষ অর্থনীতি পরিচালনায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

সূত্র : আল জাজিরা

এস