এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তার বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

তবে এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর কৌশলগত এই জলপথে তেলবাহী জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেহরান একটি বৃহত্তর পরিকল্পনা তৈরি করছে।

এই প্রস্তাব সেই পরিকল্পনারই অংশ বলে জানা গেছে। বর্তমানে বিশ্ববাজারে অধিকাংশ তেল বিক্রি হয় মার্কিন ডলারে।

তবে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল সাম্প্রতিক সময়ে ক্রমেই রুশ মুদ্রা রুবল বা চীনা মুদ্রা ইউয়ানে লেনদেন হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।

এদিকে বাজারের তথ্য বলছে, ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্য শুরু হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হুহু করে বাড়ছে তেলের দাম।

সর্বশেষ প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ৪২ শতাংশেরও বেশি বেড়ে গেছে। এছাড়া এই মূল্য আরও বাড়ার শঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

এনএইচ