বুধবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় মধ্যরাত থেকে শাটডাউন কার্যকর হয়। সিনেটে শেষ মুহূর্তে অর্থায়ন বিল গৃহীত না হওয়ায় এ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বহু সরকারি কর্মচারীকে বেতন ছাড়া ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে এবং বেশ কিছু সেবা কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।
জরুরি বিভাগ যেমন জাতীয় নিরাপত্তা, সীমান্ত সুরক্ষা ও আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু থাকলেও অপ্রয়োজনীয় খাতগুলো কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের অচলাবস্থার পেছনে দলীয় দ্বন্দ্বই মূল কারণ। ২০১৮-১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্র ইতিহাসের দীর্ঘতম ৩৫ দিনের শাটডাউন দেখেছিল, যখন সীমান্ত প্রাচীর নির্মাণের অর্থ বরাদ্দ নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিরোধ দেখা দেয়।
শাটডাউনের প্রভাব পড়ে লাখো সরকারি কর্মী, ঠিকাদার ও সাধারণ মানুষের ওপর। পাসপোর্ট ইস্যু, ঋণ বিতরণ, অনুদান কার্যক্রম কিংবা জাতীয় উদ্যানসহ নানা সেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জনজীবনে ভোগান্তি তৈরি হয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চলমান অচলাবস্থা কতদিন স্থায়ী হবে তা নির্ভর করছে সিনেট ও কংগ্রেসে সমঝোতার ওপর।
এনএইচ