নৌকাটিতে ছিলেন মোট ১৫৪ জন ইথিওপীয় নাগরিক। আইওএম-এর ইয়েমেন শাখার প্রধান আবদুসাত্তার এসোয়েভ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানান, দুর্ঘটনার পর ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। খানফার জেলায় ভেসে এসেছে ৫৪ জনের মরদেহ, আর বাকি ১৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
জাঞ্জিবার শহরের স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক আবদুল কাদের বাজামিল বলেন, শহরের শাকরা এলাকায় নিহতদের দাফনের প্রস্তুতি চলছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
আফ্রিকার হর্ন অঞ্চল থেকে ইয়েমেন হয়ে উপসাগরীয় ধনী দেশগুলোতে পাড়ি দেওয়ার এই সমুদ্রপথ বহুদিন ধরেই অভিবাসীদের জন্য একটি সাধারণ রুট হলেও, এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে পরিচিত।
২০১৪ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর এই রুটে অভিবাসীর চাপ বেড়েছে। যদিও ২০২২ সালে হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর যুদ্ধবিরতি হওয়ায় সহিংসতা কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
আইওএম-এর তথ্যমতে, সোমালিয়া ও ইথিওপিয়ার মতো সংঘাতপীড়িত দেশগুলোর বহু মানুষ ইয়েমেন হয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে পৌঁছাতে গিয়ে এই বিপজ্জনক সমুদ্রপথ ব্যবহার করছেন। প্রায়ই অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই নৌকায় লোহিত সাগর পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন তারা।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএম