এর আগে গত সপ্তাহেও মার্সেইর সন্নিকটে একটি দাবানলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। তখন বহু বাসিন্দাকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে হয় এবং সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় নিকটবর্তী বিমানবন্দরের কার্যক্রম।
তবে শুক্রবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তাপমাত্রা কমে যাওয়া এবং আর্দ্রতা বৃদ্ধির কারণে পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে। আঞ্চলিক দমকল বাহিনীর উপপরিচালক ও উদ্ধার তৎপরতার প্রধান কর্নেল পিয়ের বেপোয়া জানান, ১৫০ জনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং দেড় শতাধিক বাড়ি ও কিছু বনাঞ্চল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি বলেন, “ঘন উদ্ভিদে ঢাকা অঞ্চলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যা দমকল বাহিনীর কাজকে জটিল করে তোলে। তবে আমরা মানুষের জীবন ও ঘরবাড়ি রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি।”
স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ১২০টি বাড়ি সরাসরি হুমকির মুখে পড়েছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সেগুলোর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, স্পেনের কেন্দ্রীয় টলেডো প্রদেশেও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শুরু হওয়া দাবানল ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সেখানে তিন হাজার ২০০ হেক্টর বনভূমি আগুনে পুড়ে গেছে। মাদ্রিদের কেন্দ্র থেকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।
আঞ্চলিক জরুরি পরিষেবা সংস্থা জানিয়েছে, আগুন-আক্রান্ত এলাকাগুলো শুক্রবার সকালে ঘিরে ফেলা গেলেও বাতাসের তীব্রতা ও উচ্চ তাপমাত্রার আশঙ্কায় কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন।
প্রসঙ্গত, গ্রীষ্মকালীন সময়ে ফ্রান্স ও স্পেনের কিছু অঞ্চল দাবানলের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপপ্রবাহ ও খরার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব অঞ্চলে দাবানলের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এতে ইউরোপজুড়ে অগ্নি-নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
এনএইচ