মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল কুজি শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫১ দশমিক ৭ কিলোমিটার গভীরে আঘাত হানে।
জাপানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্য মন্ত্রিসভা সচিব মিনোরু কিহারা বলেন, এ ভূমিকম্প থেকে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবরও পাওয়া যায়নি। পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতেও কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা যায়নি।
ভূমিকম্পের পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ইস্ট জাপান রেলওয়ে কোম্পানি (জেআর ইস্ট) শিন-আওমোরি ও টোকিওর মধ্যকার বুলেট ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রাজধানী কারাকাস ও এর আশপাশের এলাকায় ৩৯ সেকেন্ডের ব্যবধানে ভূমিকম্প দুটি আঘাত হানে। ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২ এবং দ্বিতীয়টির মাত্রা ৭ দশমিক ৫।
ইউএসজিএসের আশঙ্কা এ ঘটনায় ১০ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনা ৪৪ শতাংশ। একই সঙ্গে এক লাখের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কাও রয়েছে, যার সম্ভাবনা প্রায় ৩০ শতাংশ।
এনএইচ