ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে আবারও যুদ্ধ বাঁধতে পারে— এমন আশঙ্কার মধ্যে নিজেদের শঙ্কার কথা জানাল দখলদাররা।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে গতকাল রোববার (২১ ডিসেম্বর) এক্সিওস বলেছে, ২০২৩ সালে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস হামলা চালানোর পর ইসরায়েল হামললার ঝুঁকি নিয়ে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক। তারা যে কোনো কিছুকে এখন হুমকি হিসেবে নেয়।

এক্সিও জানিয়েছে, ছয় সপ্তাহ আগেও বিপ্লবী গার্ড মিসাইল হামলার মহড়া দিয়েছে। তখনো যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েল সতর্ক করেছিল।

ইসরায়েলি এক কর্মকর্তা বলেছেন, “ইরানের হামলার সম্ভাব্যতা ৫০ শতাংশেরও কম। কিন্তু এটি শুধুমাত্র মহড়া এমন কিছু ভেবে কেউ ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক নয়।”

মার্কিন এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান এখনই মিসাইল হামলা চালাবে তারা এমন কোনো ইঙ্গিত পাননি।

কয়েকটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, এ মুহূর্তে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ থেকে যুদ্ধ বাধতে পারে। এ ধরনের মহড়াকে দুই পক্ষই হামলার প্রস্তুতি হিসেবে ধরে নিয়ে হামলা চালাতে পারে। যেখান থেকে যুদ্ধের সূত্রপাত হতে পারে।

দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গত জুন মাসে ইরানের ১২দিন যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধের পর ইরানের মিসাইলের সংখ্যা ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। এছাড়া তেহরানের কাছে আর মাত্র ২০০টি লঞ্চার আছে বলেও বিশ্বাস তাদের।

যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর ইরান মিসাইল উৎপাদন বাড়ালেও যুদ্ধের আগে যে পরিমাণ মিসাইল ছিল সেটির কাছে তারা এখনো পৌঁছাতে পারেনি বলে ধারণা মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের।

সূত্র: এক্সিওসি

এমএম