কবরস্থান কমিটির দাবি, প্রায় এক শতাব্দী ধরে ওই স্থানে কবরস্থানটি রয়েছে। এর অস্তিত্ব ও মর্যাদার পক্ষে কয়েক দশক পুরোনো ঐতিহাসিক নথিও রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। কমিটির পক্ষ থেকে কবরস্থান-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি কেডিএর কাছে জমা দেওয়া হলেও সেগুলো উপেক্ষা করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানে বুলডোজার ব্যবহার করা হয়। এতে কবরস্থানের বড় একটি অংশ ও সীমানা প্রাচীরসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযান ঠেকানোর চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তবে কেডিএ কর্মকর্তাদের দাবি, ওই জমি অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়েছিল এবং দখল উচ্ছেদের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবেই সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে।

কেডিএর এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে কবরস্থান কমিটি। তাদের বক্তব্য, কবরস্থানের মালিকানা ও অবস্থানসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথি তাদের কাছে রয়েছে। এসব নথি ও আপত্তি জানানোর পরও কেন কবরস্থান ভেঙে ফেলা হলো, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে কমিটি।

ঘটনাটি ঘিরে পুরোনো কবরস্থান ও ধর্মীয়-সামাজিক সম্পত্তি সুরক্ষা এবং কোনো স্থাপনা ভাঙার আগে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

কবরস্থান কমিটি জানিয়েছে, অবশিষ্ট জমি রক্ষায় তারা সংশ্লিষ্ট আদালতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবে এবং কবরস্থানটির সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করবে।

সূত্র: মুসলিম মিরর, ইন্ডিয়া টুডে

এস