জ্যঁ-নোয়েল আরও বলেন, ইরানের উচিত তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান’ নিশ্চিত করা। এ ধরনের পরিবর্তন দেশটির সাধারণ মানুষকে তাদের ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়তা করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও আলোচনা অনেকটা স্থবির হয়ে আছে। এমন এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে এ মন্তব্য এলো।
এদিকে, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ ম্যার্ৎস বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কার্যত ‘অপমানিত’ হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই সংঘাত থেকে বের হওয়ার কোনো স্পষ্ট পথ ওয়াশিংটনের সামনে নেই, বরং পরিস্থিতিতে তেহরানই ক্রমশ প্রাধান্য পাচ্ছে।
সোমবার জার্মানির মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক আলোচনায় ম্যার্ৎস বলেন, এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি গভীর কৌশলগত সমস্যার দিক তুলে ধরেছে। তিনি অতীতের সামরিক ব্যর্থতার উদাহরণ টেনে বলেন, এ ধরনের সংঘাতে সমস্যাটা হলো- শুধু ঢোকা নয়, বের হওয়ার পথও থাকতে হয়। আমরা আফগানিস্তানে ২০ বছর ধরে সেটা খুব কষ্টের সঙ্গে দেখেছি। ইরাকেও দেখেছি।
তিনি আরও বলেন, ইরানের কর্মকর্তারা খুব দক্ষতার সঙ্গে আলোচনা করছেন ও তারা অনেক বেশি শক্তিশালী বলে প্রতীয়মান হচ্ছে, যতটা আগে মনে করা হয়েছিল। তার মতে, পুরো একটি জাতি ইরানের নেতৃত্বের হাতে অপমানিত হচ্ছে, বিশেষ করে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ভূমিকার কারণে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই, আল-জাজিরা
এনএইচ