বৃহস্পতিবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, সফরের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে সফরকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
রাশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলোর ধারণা, আগামী সপ্তাহেই এই গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চপর্যায়ের সফর অনুষ্ঠিত হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় মস্কো-বেইজিং সম্পর্ক আরও জোরদার করার অংশ হিসেবেই এই সফরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এর আগে সর্বশেষ ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ভ্লাদিমির পুতিন বেইজিং সফর করেছিলেন। সে সময় তিনি চীনের বৃহৎ সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেন এবং একটি উচ্চপর্যায়ের শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেন। ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত সহযোগিতা, বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো।
আসন্ন এই সফরে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ইস্যুগুলো বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে গুরুত্ব পেতে পারে।
এস
















