ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় ও বিচারপতি তেজস কারিয়ার সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এ নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি পুনর্বাসন কার্যক্রম তদারকির জন্য সাবেক দিল্লি জেলা জজ মন মোহন শর্মার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছেন। বিভিন্ন সরকারি কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত সাত সদস্যের এই কমিটি বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করবে। কমিটির কার্যকাল নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় মাস।
আদালত দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডকে বস্তিবাসীদের গৃহস্থালির সামগ্রী ও অন্যান্য জিনিসপত্র সাভদা ঘেভরায় নিয়ে যাওয়ার জন্য পরিবহন সুবিধা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
সাভদা ঘেভরায় পুনর্বাসনের বিরোধিতা করে বস্তিবাসীরা বলেছিলেন, তাদের বর্তমান বসতি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে ওই এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হলে তারা জীবিকা হারাবেন। বর্তমানে তাদের বেশির ভাগই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছাকাছি এলাকায় বিভিন্ন শ্রমনির্ভর কাজে নিয়োজিত। সাভদা ঘেভরায় স্কুলসহ মৌলিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতি রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
সরকার বলেছে, ‘বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে সংঘাত বা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির ঝুঁকি এবং হুমকি বেড়েছে। এমন সংবেদনশীল এলাকায় অনুমোদনহীন স্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তা, জননিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষায় গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে।’
সরকারের পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল চেতন শর্মা এবং কেন্দ্রের স্থায়ী আইনজীবী আশীষ দীক্ষিত আদালতকে আশ্বস্ত করেছেন, বস্তিবাসীদের প্রত্যেককে এক বছরের জন্য একটি করে বিনামূল্যের মেট্রো কার্ড দেওয়া হবে। এই সুবিধা সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। এ ছাড়া প্রতিটি পরিবারের একজন সদস্যকে এক বছরের জন্য বিনামূল্যে বাসে যাতায়াতের সুবিধা দেওয়া হবে।
এমএম