হতাহতের এই সংখ্যার বিষয়ে অবশ্য ইরানের সরকার এখনো কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে প্রায় সম্পূর্ণভাবে দেশটিতে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। ওই চিকিৎসক দাবি করেন, শুক্রবার হাসপাতাল থেকে লাশ সরিয়ে নিয়ে যায় কর্তৃপক্ষ। তার ভাষ্য অনুযায়ী নিহতদের বেশিরভাগই তরুণ।

শুক্রবার ইরানি মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ শুক্রবার জানায়, ২৮ ডিসেম্বর বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ৪৮ জন বিক্ষোভকারী।

একই দিনে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কেরমানশাহে বিক্ষোভ চলাকালে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) আট সদস্য নিহত হয়েছেন।

এনএইচ