বিবিসি ব্রেকফাস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বার্নহাম বলেন, বর্তমান ব্রেক্সিট চুক্তি যুক্তরাজ্যের জন্য যতটা সুফল এনেছে, তার চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব, তা সরকার খতিয়ে দেখতে চায় বলেও জানান তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার লেবার পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে চলতি বছরের শেষ দিকে একটি শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে ইইউর সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও জোরদারের উপায় খোঁজার প্রতিশ্রুতি দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
তবে সরকারের এ অবস্থানকে কেন্দ্র করে আগামী সাধারণ নির্বাচনে নতুন করে রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কনজারভেটিভ পার্টি ইতোমধ্যে বার্নহামের বিরুদ্ধে ব্রেক্সিটকে ঘিরে পুরোনো বিতর্ক উসকে দিয়ে ‘পুরোনো ক্ষত নতুন করে খোলার’ চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছে।
লেবার পার্টির সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেওয়া প্রথম ভাষণে বার্নহাম আরও কয়েকটি নীতিগত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ২০৩০ সাল থেকে পেনশন ‘ট্রিপল লক’ ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে একটি জাতীয় পরিচর্যা বা কেয়ার সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা এবং আগামী লেবার ইশতেহারে নির্বাচনি সংস্কারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ রয়েছে।
এদিকে বিবিসি রেডিও ফোরের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে বার্নহাম বলেন, আসন্ন শীতে যুক্তরাজ্য আরেকটি জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি হতে পারে—এমন আশঙ্কাকে অতিরঞ্জিত বলা ঠিক হবে না। সাধারণ মানুষের জ্বালানি বিলের চাপ কমাতে সরকার যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: বিবিসি
এস











