মঙ্গলবার রাতে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ডলারের বিপরীতে ভারতীয় রুপির মান ধারাবাহিকভাবে কমছে। একই সঙ্গে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে সোনা ও রুপার আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করেছে ভারত সরকার, যা আগের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।
ভারতে সোনা আমদানির মূল্য ডলারে পরিশোধ করতে হয়। ফলে আমদানি বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বেশি ডলার খরচ হয় এবং রুপির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
বিশ্বে অপরিশোধিত তেলের অন্যতম প্রধান সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়েছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে ভারতের জ্বালানি আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার ঘাটতিকে আরও তীব্র করেছে।
এ অবস্থায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাগরিকদের পেট্রোল ও ডিজেল ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সোনা ও রুপার আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং রিজার্ভের চাপ কমানোই সরকারের মূল লক্ষ্য।
সূত্র: এএফপি
এস