বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিনভর তাইজ প্রদেশের বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষের পাশাপাশি একাধিক বিমান হামলা চালানো হয়। এতে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
তাইজ সামরিক কমান্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রদেশটির রাজধানী তাইজ শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্ট এবং দক্ষিণে আল-আকরুদ ও আল-শাকাব ফ্রন্টে বুধবার সকাল থেকে তীব্র লড়াই শুরু হয়। বিকালের দিকে সংঘর্ষের তীব্রতা আরও বাড়ে।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, আল-মিসরাখ জেলার রাস আল-নাজদ এলাকায় হুথিদের ট্যাংক ও সামরিক যানবাহনের একটি বহর লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। এ ছাড়া, বুধবার ভোরে তাইজ শহরের পূর্বাঞ্চলে সোফিতেল পাহাড়ের কাছে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে দুটি বিমান হামলা চালানো হয়।
ইয়ামেনের সেনাবাহিনীর দাবি, বুধবার রাতে শহরের পশ্চিমে দুবাব ফ্রন্টে একটি ট্যাংক ও একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে আরও দুটি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। দিনভর সংঘর্ষ ও হামলায় ২০০-এর বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত ও আহত হয়েছেন। এ সময় একটি সামরিক যান ধ্বংস, দুটি ট্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত, একটি ড্রোন ভূপাতিত এবং সশস্ত্র যানবাহনের একটি বহর ধ্বংস করার কথাও জানিয়েছে সরকারি বাহিনী।
তবে, হতাহতের সংখ্যা ও সামরিক ক্ষতির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। এ বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, চলতি মাসের শুরুতে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকাগুলো পুনর্দখলের লক্ষ্যে ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। রাজধানী সানাসহ বিভিন্ন এলাকা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত এ অভিযানে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট সমর্থন দিচ্ছে।
অভিযান শুরুর পর দেশটির বিভিন্ন রণাঙ্গনে সংঘর্ষ বেড়েছে। বিশেষ করে তাইজে কৌশলগত অবস্থান ও সরবরাহপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরকারি বাহিনী এবং হুথিদের মধ্যে লড়াই তীব্র আকার ধারণ করেছে।
২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে ইয়েমেনে সংঘাত চলছে। ২০১৫ সালে সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ শুরু করে।
এনএইচ
















