আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের প্রধান দুই সূচক হলো ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট। এশিয়ার দেশগুলো মূলত ব্রেন্ট ক্রুডের ওপর নির্ভরশীল।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) প্রকাশিত বিবিসি-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়ার বাজারে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম উঠেছে ১২৬ ডলারে, যা যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় প্রায় ৭ শতাংশ বেশি।
এর আগে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে তেলের বাজারে বড় উত্থান দেখা গেলেও এবার দাম বৃদ্ধির হার আরও বেশি।
বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়- মোট বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যায়। আরব সাগর ও পারস্য উপসাগরকে যুক্ত করা এই রুটে চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপের পর ইরান এই প্রণালিতে অবরোধ আরোপ করে। এরপর থেকেই জাহাজ চলাচল অনিয়মিত হয়ে পড়ে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে তেলের দামে।
ব্রেন্ট ক্রুডের পাশাপাশি ডব্লিউটিআই তেলের দামও বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হচ্ছে ১১৩ ডলারে, যা আগের তুলনায় প্রায় ২ শতাংশ বেশি।
এই পরিস্থিতিতে এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এনএইচ