মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (ডব্লিউএসজে) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে আইনপ্রণেতাদের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি সম্পূরক বাজেট প্রস্তাব পাঠানো হতে পারে। এই অনুরোধের মধ্যে পেন্টাগনের তহবিলের পাশাপাশি অপ্রতিরক্ষামূলক খাত যেমন কৃষি ও দুর্যোগ সহায়তার অর্থও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাৎক্ষণিকভাবে এই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। পেন্টাগন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি এবং হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত এপ্রিল মাসে পেন্টাগনের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, ইরান যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি ডলার খরচ হয়েছে। এটিই ছিল যুদ্ধ ব্যয়ের প্রথম আনুষ্ঠানিক হিসাব।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের সঙ্গে মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যে যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, তার প্রকৃত মোট খরচ কত তা নিয়ে ক্যাপিটল হিলে (মার্কিন কংগ্রেস) এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে। অতিরিক্ত অর্থায়নের জন্য এর আগের একটি ২০০ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক প্রস্তাব আইনপ্রণেতাদের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছিল।
গত এপ্রিল মাসে প্রতিনিধি সভার বাজেট কমিটির এক শুনানিতে হোয়াইট হাউসের বাজেট পরিচালক রাসেল ভট জানান, যুদ্ধ ব্যয়ের কোনো সুনির্দিষ্ট হিসাব তার কাছে নেই।
তবে তিনি ট্রাম্পের বার্ষিক ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের সামরিক বাজেট প্রস্তাবের পক্ষে সাফাই গান।
প্রস্তাবিত এই বিশাল সামরিক বাজেট আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান পার্টির রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের প্রতিফলন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে দলটি কংগ্রেসে তাদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার চেষ্টা করছে। তবে জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, উচ্চ জ্বালানি মূল্য এবং ইরান যুদ্ধের আর্থিক বোঝার কারণে মার্কিন ভোটারদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমাগত বাড়ছে।
সূত্র: রয়টার্স
এস