ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম রোববার ভোরে জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানের সিরিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এক বিবৃতিতে সেন্টকম বলেছে, ‘ইরানকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা তা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নতুন হামলাগুলো ছিল ‘বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের ক্রমাগত আগ্রাসনের সরাসরি জবাব’। এতে ইরানের সামরিক নজরদারি, যোগাযোগ, আকাশ প্রতিরক্ষা, ড্রোন সংরক্ষণ ও মাইন স্থাপন-সংক্রান্ত স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘আমরা যে কাজ অত্যন্ত সফলভাবে শুরু করেছি, প্রয়োজনে তা সামরিকভাবে সম্পন্ন করব।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে মার্কিন স্থাপনায় পাল্টা করে হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ ও তাসনিম নিউজ এজেন্সি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে, যেখানে কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি করা হয়েছে।
আইআরজিসির দাবি, তাদের নৌ ও বিমান বাহিনী কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বাহরাইনের রাজধানী মানামার পোর্ট সালমানে অবস্থানরত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
এনএইচ