রোববার ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ওই সময়ে যে সরকার ছিল, সেখানে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী আরো কয়েকজনকে ডিফেক্টো গভর্নমেন্ট বলা হতো। পুরো সরকারটাকে তারাই চালাতেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমরা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে একটা মিস কেইসে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়েছিলাম। সেই প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট মঞ্জুর হয়েছিল। পরবর্তীতে গত ৭ এপ্রিল তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয় এবং শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। তাকে সেফ হোমে এক দিনের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়েছিল। আমরা তাকে গতকাল সেফ হোমে নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ করেছি। তিনি যেসব তথ্য দিয়েছেন, সেগুলো আমরা যাচাই-বাছাই করছি এবং প্রয়োজনবোধে আরো দুই দিন তাকে সেফ হোমে নিয়ে জিজ্ঞাসবাদ করার সুযোগ আছে ‘

চিফ প্রসিকিউটর আরো বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে যে তথ্য আমরা পেয়েছি, এক-এগারোর সময়ের বিষয়গুলো আছে এবং বিগত জুলাই আন্দোলনেও তার ভূমিকা আছে, শেখ হাসিনার অনেক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা আছে। সবকিছুই খোঁজখবর নিচ্ছি এবং ইনভেস্টিগেশনে আসছে সবকিছু। আমরা যখন ইনভেস্টিগেশনের পর টোটাল অভিযোগটা কনসুলেটেড করব, তখনই পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট সম্পর্কে আপনাদের জানাতে পারব।’

এস