সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রাবাড়ী ও সায়েদাবাদ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। যদিও সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কোথাও আওয়ামী লীগ কিংবা তাদের বিরোধী কোনো রাজনৈতিক দলের মিছিল-সমাবেশ চোখে পড়েনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অন্যান্য দিনের তুলনায় মানুষের চলাচল কিছুটা কম ছিল। একই সঙ্গে সড়কে গণপরিবহন ও দূরপাল্লার বাসের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম দেখা গেছে। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতির খবর পাওয়া যায়নি।
যাত্রাবাড়ী পুলিশ বক্সে দায়িত্ব পালনরত এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত এলাকায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি।
এদিকে যাত্রাবাড়ী ও সায়দাবাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট এবং শপিংমলগুলো স্বাভাবিক নিয়মেই খোলা রয়েছে। ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
কনফেশনের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানায়, এখন পর্যন্ত যাত্রাবাড়ি এলাকায় তেমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। সবকিছুই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে পুলিশের দহন রয়েছে। সড়কে গণপরিবহন কম, জাতিসংখ্যা ও তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাসগুলো নিয়মিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। কয়েকজন পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি জানান, যাত্রীসংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও পরিবহন চলাচলে কোনো বাধা নেই।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করা হলেও এখন পর্যন্ত যাত্রাবাড়ী-সায়দাবাদ এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি লক্ষ্য করা গেছে।
এনএইচ