শুক্রবার (২ অক্টোবর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে যারা পৃষ্ঠপোষকতা বা মদদ দেয়, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ’
নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। যারাই অন্যায় ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘কিশোরদের অস্ত্র হাতে নয়, বই হাতে দেখতে চাই তারা লেখাপড়া করবে, দক্ষতা অর্জন করবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও রোবটিকসের মতো আধুনিক প্রযুক্তিতে নিজেদের দক্ষ করে তুলবে।’
চিফ হুইপ বলেন, ‘কোনো ঘটনা ঘটলেই ঢালাওভাবে সরকারের ওপর দায় চাপানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সরকারকে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
‘একই সঙ্গে অপরাধী যে দলের বা যে পরিচয়েরই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের প্রবণতা রয়েছে। ’
তিনি বলেন, ‘অতীতে যারা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কিশোর গ্যাং পরিচালনা করেছে, তারা নতুন পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত করার চেষ্টা করতে পারে। এ ধরনের ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে থাকা পৃষ্ঠপোষক ও তথাকথিত ‘বড় ভাইদের’ চিহ্নিত করতে হবে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’
‘কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার চেয়ে সামাজিক আন্দোলনই অধিক কার্যকর’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্কে সরকারি দল হিসেবে সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং বিরোধী দল হিসেবে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিতার্কিকরা অংশ নেন।
এতে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর মধ্যে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
এমএম










