রোববার (৩০ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করে ইসি।
নতুন গেজেটের আওতায় থাকা আসনগুলো হলো- ঠাকুরগাঁও-১, বগুড়া-২, পিরোজপুর-১, ময়মনসিংহ-১০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ ও ৪, কুমিল্লা-৩, লক্ষ্মীপুর-২ ও ৩, চট্টগ্রাম-২ এবং কক্সবাজার-১।
ইসির গেজেট অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সীমানায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সদর উপজেলা ভেঙে নতুন এ দুটি উপজেলা গঠন করা হয়। গত মে মাসে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় উপজেলা দুটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
বগুড়া-২ আসনে শিবগঞ্জ উপজেলার পাশাপাশি মোকামতলা উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত মে মাসে নিকার বৈঠকে মোকামতলা উপজেলা অনুমোদন পায়।
পিরোজপুর-১ আসনের অন্তর্ভুক্ত উপজেলা হলো পিরোজপুর সদর, নাজিরপুর ও জিয়ানগর। আর ময়মনসিংহ-১০ আসনে গফরগাঁও উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাইয়ে নিকার বৈঠকে দক্ষিণ গফরগাঁও উপজেলা অনুমোদন দেওয়া হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সঙ্গে আখাউড়া উপজেলার বরিশল ইউনিয়ন পরিষদ যুক্ত করা হয়েছে। এই ইউনিয়ন বাদ দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়ন থেকে ছয়টি গ্রাম আলাদা করে আখাউড়া উপজেলার সঙ্গে যুক্ত করে নতুন বরিশল ইউনিয়ন গঠন করা হয়। গত মে মাসে এর অনুমোদন দেওয়া হয়।
কুমিল্লা-৩ আসনে মুরাদনগর উপজেলার সঙ্গে বাঙ্গরা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাই মাসে নিকার বৈঠকে বাঙ্গরা উপজেলা অনুমোদন পায়।
এদিকে চট্টগ্রাম-২ আসনে ফটিকছড়ি উপজেলার সঙ্গে নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা যুক্ত করা হয়েছে। কক্সবাজার-১ আসনের সীমানায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে নবগঠিত মাতারমুহুরি উপজেলা।
ইসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের কারণে প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গেজেটে এসব সংশোধন আনা হয়েছে। ফলে বাস্তবে সংসদীয় আসনের সীমানায় কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
এস