বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উত্থপিত এবারের বাজেট বক্তৃতায় এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
সড়ক, সেতু ও পরিবহন খাতের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সড়ক ও পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিক, নিরাপদ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, সেতু বিভাগের আওতায় বৃহৎ সেতু ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। এর ফলে যাতায়াতের সময় ও ব্যয় কমবে। পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ভিত্তিক নতুন অবকাঠামো প্রকল্প গ্রহণের কথাও বলেছেন তিনি।
প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবহন ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ইলেকট্রনিক টোল সংগ্রহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট চালু এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণে স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নতুন নিয়ন্ত্রণ স্টেশন স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, দেশব্যাপী প্রায় ৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড গড়ে তুলতে সম্ভাব্য করিডোর চিহ্নিতকরণ ও সমীক্ষা কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি সড়ক, রেল, নৌ ও বিমান পরিবহনকে একীভূত করে একটি মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে যানজট ও পরিবহন ব্যয় কমবে এবং জাতীয় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।