বিনিময় হারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা পাওয়া গেছে প্রায় ০ দশমিক ৭৮ ভারতীয় রুপি। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের একই দিনে এক টাকা সমান ছিল প্রায় ০ দশমিক ৭২ রুপি। আর ২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা সমান ছিল প্রায় ০ দশমিক ৭০ রুপি।
অন্যদিকে, ২২ সেপ্টেম্বর এক ভারতীয় রুপির মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ টাকা ২৮ পয়সা। এক বছর আগে এর মূল্য ছিল প্রায় ১ টাকা ৩৮ পয়সা। অর্থাৎ, এক ভারতীয় রুপি কিনতে এখন এক বছর আগের তুলনায় প্রায় ৯ দশমিক ৭২ পয়সা কম টাকা প্রয়োজন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যেও রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান দেখা গেছে। ২১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার ক্রস রেট ছিল ১ দশমিক ২৭৮৯ থেকে ১ দশমিক ২৭৯৬ টাকা। অর্থাৎ, এক টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে ০ দশমিক ৭৮১ থেকে ০ দশমিক ৭৮২ রুপি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বাসসকে বলেন, ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কিছুটা কমতে পারে।
তিনি বলেন, বিনিময় হার অনুকূলে থাকলে একই পরিমাণ ভারতীয় পণ্য ও সেবা কিনতে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের তুলনামূলক কম টাকা ব্যয় হতে পারে। এতে ভারত থেকে কাঁচামাল, শিল্প উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য পণ্য আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা সুবিধা পেতে পারেন।
ভারতে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিরাও এর সুফল পেতে পারেন। রুপির বিপরীতে টাকা শক্তিশালী থাকলে আবাসন, খাবার, যাতায়াতসহ স্থানীয় ব্যয়ের টাকায় হিসাব করা মূল্য কমতে পারে।
তবে বিনিময় হারই আমদানি পণ্য বা ভ্রমণের চূড়ান্ত ব্যয় নির্ধারণ করে না। আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য, পরিবহন ও লজিস্টিক ব্যয়, শুল্ক-কর এবং ব্যবসায়ীদের মূল্য নির্ধারণের সিদ্ধান্তও এতে প্রভাব ফেলে।
আরিফ হোসেন খান বলেন, বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ও বিনিময় হারের গতিবিধি বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে। বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।
এস





