রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ে কোনো সংঘাত-সংঘর্ষ চান না তিনি। দেশে রক্তপাতের পরিবর্তে সমঝোতার রাজনীতি দেখতে চান। যারা নিষ্ঠার সঙ্গে মানুষের জন্য কাজ করেন, তাদের সমর্থন করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে সবাইকে বাংলাদেশি হিসেবে একসঙ্গে বসবাসের আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা এবং সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।

যুবসমাজের উদ্দেশে তিনি বলেন, তরুণদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে। শুধু চাকরি ও ঠিকাদারির পেছনে না ছুটে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার চেষ্টা করতে হবে। একই সঙ্গে মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মানুষের মধ্যে মানুষের জন্য ভালোবাসা থাকবে—এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে কাজ করতে হবে।

ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এখানকার মানুষ যে সম্মান ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তা তিনি আজীবন মনে রাখবেন। তিনি ঠাকুরগাঁওবাসীর কাছ থেকে দূরে চলে যাননি এবং সবসময় তাদের সঙ্গে থাকবেন বলেও জানান।

সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, অনেক ত্যাগ, তিতিক্ষা ও লড়াই-সংগ্রামের পর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একটি সুযোগ এসেছে। কোনো লড়াই, সংঘাত, প্রতিশোধ বা রক্তপাত নয়—ভালোবাসার মাধ্যমে এমন একটি সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সবাই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

এস