বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মহাখালীতে বেসরকারি টেলিভিশন ডিবিসি কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, তাকে মিন্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে একটি সূত্রের দাবি, চলমান শ্রমিক আন্দোলনে ইন্ধনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এর আগে গত ১৫ এপ্রিল ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব যাওয়ার পথে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। সেদিন সৌদি এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তার জেদ্দা যাওয়ার কথা ছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন প্রবীণ এই সাংবাদিক। তবে ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজীর জানাজায় অংশ নিতে প্রেসক্লাবে যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীসহ আওয়ামীপন্থী সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিক। তখন জামায়াত নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে তাদের বসার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর থেকে ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে প্রকাশ্যে আর দেখা যায়নি।

দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে ইকবাল সোবহান চৌধুরী ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি বাসসের পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে ডিবিসি নিউজের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনীতিতেও যুক্ত তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ফেনী-২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। পরবর্তী সময়ে শেখ হাসিনার সরকারে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এমএম