নোয়াখালীতে ২কোটি ৫৬ লক্ষ ৩৪ হাজার আটশ আটাশ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জেলা পরিষদের প্রধান হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা তারিক হাসান (৪১)কে আটক করেছে সুধারাম থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার রাতে জেলা পরিষদের কার্যালয় সংলগ্ন সোনাপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে তারিক হাসানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন চৌধূরীকে আহবায়ক কমিটি করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে ।

তদন্ত কমিটি উল্লেখিত পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের সত্যতা নিশ্চিত করে ২৪ মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদন দাখিলের দুইদিন পর অভিযুক্তকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে জেলা পরিষদ কর্মকর্তা কর্মচারী আইনে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

এর পর জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী সবিতা রাণী দাস বাদী হয়ে ২৯ মে রাতে সুধারাম থানায় মামলা দায়ের করেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের নভেম্বরথেকে অদ্যবধি হিসাব রক্ষকের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে অবৈধ পন্থায় প্রধান নির্বাহীর স্বাক্ষর জাল করে এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রধান নির্বাহীর স্বাক্ষরিত চেক টেম্পারিং এর মাধ্যমে জনতা ব্যাংক সোনাপুর শাখায় জেলা পরিষদের চলতি হিসাব থেকে এই টাকা আত্মসাত করেন।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়,অবেধ অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে স্বেচ্ছায় লোভের এধরনের অপকর্ম করেছে বলে স্বীকার করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, জেলা পরিষদের মামলার প্রেক্ষিতে রাতে সোনাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) নোয়াখালীকে দিলে তারা আদালতে সোর্পদের জন্য প্রেরণ করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নোয়াখালী শাখার উপ-পরিচালক তালেবুর রহমান জানান, অর্থ আত্মসাতের বিষয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ।তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় হবে।

এমআইএস