সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ২০টি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, চলমান সংকট মোকাবিলার পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিল্পের বিকাশ ও নতুন বিনিয়োগের জন্য জ্বালানির বাড়তি চাহিদা কীভাবে পূরণ করা হবে, সে বিষয়েও সরকার একটি পরিষ্কার রূপরেখা দেয়া হয়েছে।

ফজলুল হক বলেন, ‘আজকের বৈঠকের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও স্বস্তির খবর হলো, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আগামীকাল রাত থেকে আমরা গ্যাস-বিদ্যুতের ক্ষেত্রে নতুন করে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তার আগের অবস্থায় ফিরে যেতে পারব।’

তিনি বলেন, শুধু ব্যবসা-বাণিজ্য নয়, সমাজের প্রায় প্রতিটি স্তরের মানুষই কমবেশি জ্বালানি সংকটে ভুগছেন। এ কারণে সরকারও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।

এফবিসিসিআই প্রশাসক বলেন, বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগামী দিনে উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। এতে শুধু বর্তমান সংকট মোকাবিলার কথা নয়, ভবিষ্যতে শিল্পের সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগের ফলে গ্যাস-বিদ্যুতের যে বাড়তি চাহিদা তৈরি হবে, তা কীভাবে পূরণ করা হবে, তারও রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এটা এমন নয় যে সরকার পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছে, আর আমরা শুধু শুনে চলে এসেছি। আমাদের বৈঠক পূর্বনির্ধারিত দুই ঘণ্টার ছিল। কিন্তু আলোচনা দীর্ঘ হয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা হয়েছে। ব্যবসায়ী নেতারা তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্ন, সমস্যা ও পরামর্শ তুলে ধরেছেন। সেগুলোর সন্তোষজনক জবাব পেয়েই আমরা সভা থেকে বের হয়েছি।’

এমএম