সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে ব‍্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সংস্থাটির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশের (আরসিএমপি) কর্মকর্তা ডেভিড টাউনসেন্ড আইএসিসিসি’র এই আইনগত প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের বাইরে থাকা সম্পদ ও পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি ও বাস্তবিক নানা চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধারে সম্ভাব্য আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায় খোঁজার বিষয়ে জোর দেন তারা।

এ সময় আন্তর্জাতিকভাবে সম্পদ উদ্ধারের ক্ষেত্রে থাকা আইনি বাধাগুলো দূর করতে আইএসিসিসি প্রতিনিধিদল অ্যাটর্নি জেনারেলের সহায়তা কামনা করেন।

জবাবে বাংলাদেশের চুরি হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়ে নিজের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আরও পড়ুন: গৌরীপুরে জুলাই হত্যায় তিনজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ

প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন- ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার লুইস বেইনন, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির সিনিয়র ইনভেস্টিগেটর অ্যালেক্স হোড, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যানালিস্ট রাইহান রহমান এবং সিঙ্গাপুরের একজন আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার বিশেষজ্ঞ।

বৈঠক শেষে জানানো হয়, অবৈধভাবে বিদেশে স্থানান্তরিত সরকারি সম্পদ উদ্ধার ও দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি বিদ্যমান আইনি ব্যবস্থাগুলোকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এমএম