রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন চীনা রাষ্ট্রদূত। এ সময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে ইয়াও ওয়েনের বিভিন্ন কার্যক্রম দৃশ্যমান ছিল। বিশেষ করে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে তার ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি। একইসঙ্গে চীনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফল সফরেও রাষ্ট্রদূতের অবদানের কথা উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, ইয়াও ওয়েনের দায়িত্বকালেই বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ‘অংশীদারিত্বমূলক সম্প্রদায়’-এর পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ মেকানিজমসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকে নিজের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বলে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং এটিকে বাংলাদেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় চীনের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ওই মন্ত্রীর বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তার বাবা এর আগে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছিলেন।
সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে। একইসঙ্গে তিনি রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নতুন কর্মস্থলে সাফল্য কামনা করেন।
এস





