একই ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলামকে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বুধবার সকালে গ্রাহক আলেয়া খাতুনকে ফোন করেন মন্ত্রী। এ সময় অস্বাভাবিক বিদ্যুৎবিলের কারণে তাকে যে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়েছে, সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান মন্ত্রী।

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎবিলটি ইস্যু করা হয়। বিল অনুযায়ী, এক মাসে তার বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে ২৩৫ ইউনিট। অথচ ডিমান্ড চার্জ হিসেবে দেখানো হয় ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা। এর সঙ্গে ভ্যাট ও মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়ায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা।

অথচ ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ওই গ্রাহকের প্রকৃত বিল হওয়ার কথা ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। পরে ভুলটি সংশোধন করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ করা হয় এবং গ্রাহক সেই বিল পরিশোধ করেন।

এদিকে ঘটনায় মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম মো. মহিতুল ইসলামকে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এনএইচ