এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘সমন্বিত ডাক নেটওয়ার্ক, সীমাহীন সম্ভাবনা’। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ডাক অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি।

বিশ্ব ডাক দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ও আগামীকাল ডাক বিভাগের সব পর্যায়ের কার্যালয়ে সাধারণ ডাকসেবা চালু থাকছে। তবে এ সেবার আওতায় সঞ্চয় ব্যাংকের কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত নয়।

এদিকে, আজ থেকে আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারা দেশে পালিত হবে ‘ডাকসেবা সপ্তাহ’। এ উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে বিশেষ চিঠি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েও চিঠি উৎসব, ফিলাটেলিক প্রদর্শনী এবং ডাকসেবা বিষয়ক মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

ডাক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও বিস্তৃত ডাক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে মানুষের দোরগোড়ায় দ্রুত ও সাশ্রয়ী সেবা পৌঁছে দেওয়াই এসব কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।

ঐতিহ্যবাহী ডাকসেবার পাশাপাশি বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, দক্ষ ও জনবান্ধব লজিস্টিকস সেবা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে কাজ চলছে।

মানুষের দৈনন্দিন জীবন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ডাক ব্যবস্থার অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর বিশ্ব ডাক দিবস পালন করা হয়।

১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) প্রতিষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক এ দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯৬৯ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত ইউপিইউ কংগ্রেসে ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এস