নতুন পরিপত্রে গত ১১ মার্চ জারি করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন বা পালনসংক্রান্ত আগের পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় জাতীয় পর্যায়ের উৎসব ছাড়া সাধারণভাবে দিবস পালনের ক্ষেত্রে সাজসজ্জা ও বড় ধরনের বিচিত্রানুষ্ঠান যথাসম্ভব পরিহার করতে বলা হয়েছে। রেডিও ও টেলিভিশনে আলোচনা এবং সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। তবে কর্মদিবসে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা পরিহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, কোনো সপ্তাহ পালনের অনুষ্ঠানসূচি সাধারণভাবে তিন দিনের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে। সরকারি কর্মসূচির কারণে যাতে দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে হবে। আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছুটির দিনে অথবা অফিস সময়ের পরে আয়োজনের চেষ্টা করতে হবে।

নগদ অর্থ বা উপকরণ ব্যয় প্রয়োজন হবে না—এমন সাধারণ অনুষ্ঠান ছুটির দিন কিংবা কর্মদিবসে আয়োজন করা যাবে। কোনো দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে বা জেলা পর্যায় থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যথাসম্ভব পরিহার করতে বলা হয়েছে।

সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে একই তারিখে দিবসগুলো একত্রে পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সারসংক্ষেপ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

এস