বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, গার্মেন্টস এর পরেই ট্যুরিজমরে মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভুমিকা রাখতে পারে পর্যটন শিল্প।
আজ ১৮ই ডিসেম্বর রাজধানীর হোটেল অবকাশে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (এটিজেএফবি) আয়োজিত ‘বর্তমান অবস্থায় পর্যটন খাতের ইমেজ পুনরুদ্ধারে সংবাদকর্মীদের ভূমিকা’শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তৃতাকালে রাশেদ খান মেনন এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, পর্যাটন শিল্পকে এগিয়ে নিতে মিডিয়া গুরত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করে। যোগাযোগ ব্যাবস্থা খারাপ ও বিদেশিদের পর্যটন এলাকায় থাকার সু ব্যাবস্থা না থাকার কারনে আগে পর্যটন নিয়ে অনেক নেতিবাচক নিউজ হতো। কিন্তু এখন পর্যটন নিয়ে অনেকটাই ইতিবাচক নিউজ হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে মিডিয়া তথা ট্যুরিজম জার্নালিস্টরা ব্যাপক ভুমিকা রাখছে।
পর্যটন মন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের প্রধান বাঁধা হলো অবকাঠামোর দুর্বলতা। অবকাঠামো উন্নয়নে আমরা হাঁটি হাঁটি পা করে এগোচ্ছি। গত দুই বছরে ট্যুরিজম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলেও এখনো আমরা আন্তর্জাতিক ট্যুরিজমে প্রভাব ফেলতে পারিনি।
মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা প্রতিকুল অবস্থা থেকে ঘুরে দাড়িয়েছি। বাংলাদেশ এখন নিরাপদ দেশ। অন্যান্য দেশের চাইতে বাংলাদেশের সাফারিপার্ক অনেক উন্নত। এমায় তিনি পর্যটন শিল্পকে আরো উন্নত করার জন্য আগামী বাজেটে বিল উথাপনের কথা ব্যাক্ত করেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য মন্ত্রী বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নতির সার্থে আপনারা আমাদের সমালোচনা করবেন, আমাদের দোষগুন ধরিয়ে দিয়ে সহযোগিতা করবনে। তাহলেই আমরা আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে পর্যটন শিল্পকে আরো উন্নত করতে পারবো।
এটিজেএফবি’র সভাপতি নাদিরা কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের (বিটিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান খান কবির, পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ , এটিজেএফবি এর সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ ও সহ-সভাপতি আলতাব হোসেন।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান খান কবির বলেন, ইমেজ সংকটে শুধু বাংলাদেশ নয়, পুরো বিশ্বই ভুগছে। বার বার শুধু হলি আর্টিসানের দিকে তাকালেই হবে না। সবকিছুর পরও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।
পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অপরূপ চৌধুরী বলেন, টুরিস্টদের কনফিডেন্স ডেভলপ করার একমাত্র মাধ্যম হলো মিডিয়া। এক্ষেত্রে মিডিয়াকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। ই-ভিসা হলে ভিসা প্রক্রিয়ার অনেক কিছুই সমাধান হবে বলে জানান তিনি। পার্বত্য অঞ্চলে বিদেশিদের প্র্রবেশে শিথিলতা আনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের তিনটি পার্বত্য অঞ্চলে বিদেশিদের প্রবেশের ক্ষেত্রে একটু জটিলতা রয়েছে। এক্ষেত্রে শিথিলতা আনতে হবে।
আলোচনা শেষে ট্যুরিজম জার্নালিস্টদের নিয়ে ঘন্টাব্যাপি ওয়ার্কশপের আয়োজন করে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ (এটিজেএফবি) ।
ইমরান





